ময়মনসিংহে ডিবি’র অভিযানে চুরির রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার-১

0
399

স্টাফ রিপোটার: ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে এক চোর ও মাদক ব্যবসায়ীসহ ২ জনকে গ্রেফতার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম হেরোইন ও ১০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। ঐ চোর গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন হয়েছে।

ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ডিবির এসআই পরিমল চন্দ্র সরকার সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মুক্তাগাছায় অভিযান চালিয়ে চিহিৃত চোর মোঃ শাহিনকে গ্রেফতার করে। সে মুক্তাগাছা কান্দাপাড়ার আঃ গফুরের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, গত ১৪ জুন রাতে জেলা সদরের ঝাপারকান্দার আনোয়ার হোসেনের বসতঘরে সিধ কেটে এক লাখ ২৭ হাজার টাকা ও স্বর্ণের আংটি নিয়ে যায় চোরেরা। এই চুরির ঘটনায় কোতেয়ালী মডেল থানায় ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড আইনে মামলা নং-১৩৩, তারিখ-২৮/৮/২০১৯ দায়ের হয়। এ মামলাটি তদন্তভার পেয়ে ডিবি পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চোরের সন্ধান নিশ্চিত হন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পরিমল চন্দ্র সরকার বলেন, এ মামলায় মুক্তাগাছা থেকে চিহিৃত চোর শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শাহিন এই চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বিকার করে। শাহিনের বরাত দিয়ে এআই পরিমল চন্দ্র সরকার আরো বলেন, ঘটনার রাতে শাহিন ও তার সহযোগী ফুফাতো বোন জামাই হানিফ এবং পাশের গ্রামের রাশেদ সিধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। পরে হানিফ মামলার বাদির শিয়র থেকে চাবি নিয়া সুকেসের ড্রয়ারের তালা খুলে ড্রয়ারে থাকা ১ ল ২৭হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের আংটি চুরি করে। এছাড়া শাহিন নিজে মামলার বাদির শিয়র থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়া যায়। শাহিনের বরাত দিয়ে পুলিশ আরো জানায়, পরদিন চোর হানিফের বাড়ীতে উক্ত চোরাই টাকাসহ অন্যান্য সামগ্রী ভাগ ভাটোয়ারা হয়। এতে শাহিন ১৫ টাকা এবং মোবাইল ফোন নেয়। মোবাইল ফোনটি সে অপর আরে চোর মাসুদের কাছে বিক্রি করে দেয়।

দীর্ঘ ৫ মাসেরও বেশী সময় পর চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন সম্পর্কে এসআই পরিমল বলেন, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ২৯ আগষ্ট মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী মাসুদ শরিফুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ পুলিশের কাছে স্বীকার উক্ত মোবাইলটি সে কান্দাপাড়া শাহিনের কাছ থেকে ক্রয় করেছিল। তার তথ্য মতে শাহিনকে গ্রেফতারের জন্য বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অবশেষে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ ডিসেম্বর রাতে শাহিনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। শাহিনকে আাদালতে পাঠানো হলে সে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। শাহিন একজন পেশাদার সিধেল চোর ছিল। এছাড়া ডিবি পুলিশের এসআই আঃ মজিদ ত্রিশালের বাদামিয়া থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ হারুনকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম হেরোইন ও ১০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।

মন্তব্য করুন