হাসপাতালের গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান, ১৩ দালাল আটক

0
754

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের নামসর্বস্ব কিছু ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পাশাপাশি কয়েকটি ওষুধের দোকানের দালালদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। এর মধ্যে হাসপাতালের বহির্বিভাগ, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও জরুরী বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করে ওষুধ দোকানীদের কথিত দালালরা।

এ রকম অভিযোগের ভিত্তিতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ-কেএমপি’র গোয়েন্দা শাখার দু’টি টিম গতকাল রোববার বেলা ১১টার পর থেকে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে খুমেক হাসপাতালের সামনে অবস্থিত উদয়ন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের মালিক এস এম সৈয়দ হোসেনসহ ১৩ জন আটক হয়। আটককৃত অন্যান্যরা হচ্ছেন আব্দুল আলীম, সোহেল, আরিফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, তাপস রানা, মুরাদ খান, শামীম হোসের বুলু, ফরিদ শিকদার, আবুল কালাম, জিল্লাল মোল্লা, নাজিম উদ্দিন মোল্লা ও উজ্বল দাস। আটকৃতদের মধ্যে ওষুধ দোকানের চারজন মালিকও রয়েছেন।

এ ব্যাপারে গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এস এম কামরুল ইসলাম বলেন, খুলনার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ থেকে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় রোগীরা দালালদের খপ্পরে পড়ে চিকিৎসার নামে প্রতারিত হচ্ছেন। এ সব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে খুমেক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, সম্প্রতি খুমেক হাসপাতালে র‌্যাব-৬ এর অভিযানে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিকসহ বহু দালাল আটক হয়। এর পরও দালাল নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে জনসচেতনতার লক্ষ্যে হাসপাতালে দালালদের হতে সাবধান লিখিত প্যানা টানানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া সকাল ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।অপর একটি সূত্র জানায়, দালালদের গ্রেফতারের পর গতকাল খালিশপুরস্থ ডিবি অফিসে নেয়া হলে বাংলাদেশ কেমিষ্টস্ এন্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি খুমেক হাসপাতাল গেট উপ-শাখার একজন শীর্ষ নেতা সেখানে গিয়ে ওষুধের দোকানের মালিকদের ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশ কোন তদ্বিরকে প্রশ্রয় দেয়নি।

মন্তব্য করুন