এতিমখানা সড়কের বাসিন্দাদের বছরব্যাপী চরম দুর্ভোগ

0
665

কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের এতিমখানা সড়কের বাসিন্দাদের বছরব্যাপী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বৃষ্টি হলেতো কথাই নেই, হাঁটু পানি জমে থাকে দিনের পর দিন। নির্মগমনের নাম নেই, নির্গমনের জন্য ভাল পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও নেই। বৃষ্টি না হলেও সারা বছরই এই রাস্তাটি কাদাপানিতে সয়লাব থাকে। এলাকার বাসিন্দাদের যেমন পায়ে হেঁটে যাতায়াতের উপায় থাকে না, পথচারীদেরও পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। পায়ে হাঁটার দুর্ভোগ তো আছেই, রিক্সায় চলতে গিয়েও অনেক সময় নাকাল হতে হয়। উল্টো দিক থেকে কোন ইঞ্জিনচালিত বাহন একটু দ্রুত গতিতে অতিক্রম করার সময় রাস্তার কাদাপানি ছিটিয়ে রিক্সার যাত্রীদের সর্বনাশ করে দিয়ে যায়। আর পায়ে হাঁটা মানুষদের অবস্থা তো বর্ণানা করাটাই বাহুল্য।

জেলা স্বরণি মোড় থেকে সরকারি এতিমখানা পর্যন্ত এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে, নর্দমা বোঝাই হয়ে আছে কাদায়। পুরো রাস্তা জুড়ে কাদাপানিতে সয়লাব। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এসব কাদা তুলে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রেখেছেন। এসব কাদা আবার রাস্তা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। এই এলাকায় অনেকগুলো বহুতল ভবন, একতলা ভবন এবং আধাপাকা বাসাবাড়ি রয়েছে। কেবল এই এলাকার বাসিন্দারাই নয়, এই রাস্তা ধরে শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পৌর মহিলা কলেজ ও জেলা স্বরণি বালিকা বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যাতায়াত করেন। বিভিন্ন সরকারি অফিসের স্টাফরাও যাতায়াত করেন। আবার অন্যান্য কাজেও লোকজন এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় এই রাস্তা ধরে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তাটির নর্দমা যেমন অপরিসর, অগভীর, সেই সঙ্গে রাস্তাটিও বেশ নীচু। এর চেয়েও দায়িত্বহীনতার দৃশ্য দেখা গেছে কয়েকটি বাসাবাড়ির সামনে। কোথাও কোথাও বাসার মালিকরা নর্দমা বন্ধ করে দিয়েছেন। যে কারণে বৃষ্টির পানি আর বাসাবাড়ির ব্যবহৃত পানিও নিষ্কাশনের পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। ফলে সবসময়ই কাদাপানিতে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে থাকে।

এলাকার পৌর কাউন্সিলর এরশাদ খান অভিকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে জানান, নতুন ড্রেনের নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। এটি সম্পন্ন হলে জলাবদ্ধতা সমস্যা কেটে যাবে। এলাকাবাসীকেও নর্দমা পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

মন্তব্য করুন