ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি মান্নান ফরাজি সামারী বাণিজ্য প্রকাশে রুপ নিচ্ছে

0
3618
রেলওয়ে পুলিশ (এসআরপি) চট্টগ্রাম এসপি নজরুল ইসলাম পিপিএম তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন বলে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো। ছবি: সংগৃহিত
    রেলওয়ে পুলিশ (এসআরপি) চট্টগ্রাম এসপি নজরুল ইসলাম পিপিএম  এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো।
    ছবি: সংগৃহিত

স্টাফ রিপোটার : ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি আব্দুল মান্নান ফরাজিসহ কর্মরত এসআই ও এএসআই বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের ও সামারী বাণিজ্য অভিযোগ উঠেছে। থানার ওসি যোগসাজশে সাধারণ মানুষকে রেলওয়ে স্টেশন ও ট্রেনের ছাদ থেকে কোন কারণ ছাড়াই ধরে এনে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরণের সামারী বাণিজ্য করে আসছে। এ নিয়ে রেলওয়ে থানার ওসি ফরাজি রহমানের বিরুদ্ধে একাধিকবার সাংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সুত্র থেকে জানাযায়, রেলওয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ওসি ফরাজি কর্মকান্ডের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। ওসি ফরাজি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রক্ষা পান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ে এক কর্মকর্তা জানান, রেলওয়ে থানায় যোগদান করার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা চরম অবনতি হয় ময়মনসিংহ জংশনে। যাত্রীদের কাছে টিকেট থাকা কালে ছাদ থেকে নামিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে যারা ১৫-২০ হাজার টাকা দিতে পারে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় না হলে চালান দিয়ে দেওয়া হয়। এসব কাজ গুলো করেন এএসআই ফারুকসহ থানার যোগদান করা পুলিশ কর্মকর্তারা। এখন রেলওয়ে স্টেশনের ভিতরে মাদক বিক্রি হয় , ট্রেনের টিকেট কালো বাজারি, ট্রেন থেকে যাত্রী নামিয়ে সামারি বাণিজ্য, দিন দুপুরে ভাসমান পতিতা মেয়েদের চলাফেরা, স্টেশনে রুটি দোকানদের ধরে নিয়ে টাকা দিলে ছেড়ে দেওয়া। মোবাইল চুরির ঘটনা নিত্যদিন আছেই।

আরো বলেন, কিছুদিন আগে আমাদের ধর্ম মন্ত্রী স্যারের পিএস সাঈদ ট্রেনে উঠার সময় পকেট থেকে মোবাইল নিয়ে যায়। এতো পুলিশ থাকতে যদি এই ঘটনা ঘটে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা ? আরো অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ মনে হয় দেখার মত কেহ নেই।

এদিকে, কিছুদিন আগে কম্পিউটার ট্রেনে ছাদ থেকে গঁফরগাও কাচামালের ব্যবসায়ী আনসারুল্লাহ ধরে নিয়ে যায় এএসআই ফারুক, এএসআই মোজাম্মেল হোসেন। তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবী করেন তারা। কথায় আছে‘মাছের রাজা ইলিশ, দেশের রাজা পুলিশ’। নিরপরাধ ছেলেটা টাকা দিতে না পারায় তাকে মামলা দিয়ে চালান করা হয়। এছাড়া গত কয়েক দিন আগে প্লাটফরম থেকে একটি ৯ম শ্রেণীর ছাত্রকে ধরে নিয়ে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুরোহিত পাড়ার রিয়াজ নামে একটি ছেলেকে ধরে নিয়ে ১০ হাজার টাকা বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এছাড়াও স্টেশনে যাত্রীদের তল্লাশির নামে পুলিশি হয়রানি, নির্যাতন, দুর্ব্যবহার ও সামারি বাণিজ্য কোনোভাবেই থামছে না। হয়রানি ও নির্যাতন করে অর্থ আদায়ের বিষয়টি এখন প্রকাশে রুপ নিচ্ছে।

এ বিষয়ে রেলওয়ে থানার ওসি ফরাজি সাথে ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমি এসব জানিনা। আপনে থানায় আসেন আমি কথা বলবো।

রেলওয়ে পুলিশ (এসআরপি) চট্টগ্রাম এসপি নজরুল ইসলাম পিপিএম তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো।

 

 

মন্তব্য করুন