ময়মনসিংহ আবাসিক হোটেল গুলোতে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

0
15225

স্টাফ রিপোটার : ময়মনসিংহ অধিকাংশ আবাসিক হোটেলে দিনে-রাতে অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের নাকের ডগায় নারী দেহের পসরা সাজিয়ে অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী একটি মহল।

ময়মনসিংহে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসেন, যারা মূলত সাময়িক কোন দরকার মেটানো, আইনী ঝামেলা, হাসপাতালে রোগী স্বজন দেখতে বা বভ্রণ আসেন। এসেই তারা আশ্রয়ের জন্য দ্বারস্থ হন আবাসিক হোটেল গুলোতে। কিন্তু এখানে মূলত সমস্যার শুরু। এর বাইরে দেহব্যবসা তো রয়েছেই।

ময়মনসিংহ গাঙ্গিনারপার, স্টেশন রোড, চরপাড়াসহ একাধীক এলাকায় অবস্থিত হোটেল গুলোতে দেহ ব্যবসা জমজমাট। কিছুদিন আগে পুলিশ প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলেও এখন নিশ্চুপ হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, হোটেল গুলোর রুম ভাড়া উসুল করতে হলে এ ব্যবসা রাখতেই হয়। আর যেসব হোটেলগুলোর মান নিম্ন তাদের চলেতে হয় এরই উপর নির্ভর করে। হোটেল ব্যবসার অধিকাংশ মালিক পুলিশের নির্দেশিত নিয়মগুলো যথাযথ অনুসরণ করে না। এ সুযোগে এসব আবাসিক হোটেল দুর্বৃত্তদের নানা অপকর্ম সংঘটনের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে।

তমা (ছদ্মনাম) এক যৌনকর্মী জানায়, আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার ও বয়-বেয়ারারা এক জন খদ্দেরের কাজ থেকে যে টাকা নেয় তার ৫০ ভাগ তাদের দেয়। বাকি টাকা হোটেল রুম ভাড়া ও তারা ভাগ করে নেয়। অনেক পেশাদার যৌনকর্মী অবশ্য নিজেরাই কার্ড বিলি করে। এসব কার্ডে সাধারণত মধ্যস্থতাকারীর মোবাইল নম্বর থাকে। পার্ক, ওভারব্রিজ এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি।

এছাড়া অসামাজিক কার্যকলাপ, প্রতারণামূলক নানা কর্মকান্ড, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন রকম অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ তো রয়েছেই।

এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের তদারকি কাজে উদাসীনতা, হোটেল মালিকদের গাফিলতি ও কোনো কোনো েেত্র বর্ডারদের অসচেতনতাও পরিস্থিতিকে নাজুক করে তুলছে।
এসব থেকে মুক্তি পেতে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ময়মনসিংহ বাসী।

 

 

 

মন্তব্য করুন