ময়মনসিংহের আবসিক হোটেল গুলো নষ্টামির নিরাপদ স্থান-পার্ক গুলোতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত

0
7658

বদরুল আমীন, ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের নামীদামি কতিপয় আবাসিক হোটেল এখন নষ্টামির অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। রহস্য জনক কারণে পুলিশের তদারকির অভাবে প্রতিদিনই ১৩-১৪ বছরের কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে ৫০ বছরের জুটিদেরকে এ সকল হোটেলে আসা যাওয়া ও রুম বুকিং করতে দেখা যায়। ফলে এগুলো এখন নষ্টামিতে ভরে যাওয়ায় সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে।

জানাযায়, ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে বিভিন্ন পার্ক গুলোতে ও ব্র‏পুত্র নদের উপারে নিরাবদ স্থান গুলোতে প্রতিনিয়তই অবসর যাপনের নামে শত শত জুটি অবস্থান করে নষ্টামি করতো। এ সকল বিষয়ে প্রশাসন অবহিত হয়ে পুলিশি অভিযান জোরদার করায় এরা বিকল্প হিসেবে আবাসিক হোটেল গুলো বেছে নিয়েছে।

ময়মনসিংহ শহরে ৩ টি রিসোর্স হোটেল ছাড়াও একাধিক পার্ক রয়েছে। সাহেব কোয়ার্টার পার্ক, নদীর পাড়, বুটানিকেল গার্ডেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহের বিভিন্ন নিরাপদ স্থান ছাড়াও নদীর উপারে এসকল ব্যক্তিদের শত শত জুটি ঘুরা ফেরা করা ও ঝুপঝাড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। স¤প্রতি পুলিশ এসকল স্থানে মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করায় এরা এখন আবাসিক হোটেল মুখি হয়ে পড়েছে। চড়পাড়া এলাকায় সাইবোর্ড হীন বিভিন্ন হোটেল ও নাম সর্বস্ব ৭-৮টি হোটেলে প্রতিদিন ডজন ডজন জুটি ছদ্য নামে রুম বুকিং দিয়ে দিবস কিংবা রাত্র কাটিয়ে থাকে।

এ সকল ছেলে মেয়েরা তাদের সুবিধা মত সময় বেছে নেয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও ময়মনসিংহ শহরে আমির ইন্টারন্যাশনাল, হেরা, হোটেল মোস্তাফিজ, সিলভার কেসেল, রিভার প্লেইজ ও চর জেল খানায় গড়ে উঠা রিসোর্সে রুম বুকিং দিয়ে এসকল নষ্ট জুটি দিবা রাত্র যাপন করার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, এদের মধ্যে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী ও যুবক এর সংখ্যাই বেশি। এ সকল জুটিদের বেশির ভাগই যৌন উত্তেজক ইয়াবা সেবন করে বলে হোটেল গুলোর সূত্রে জানা যায়। ফলে এসকল যুবক যুবতিরা একসময় মাদকাসক্তে পরিণত হয়। ফলে ইয়াবা থেকে হেরোইন নেশায় দাবিত হয়। সুশীল সমাজের দাবী নষ্ট চরিত্রের এ সকল মানুষ গুলো বিনোদনের নামে ইয়াবা সেবন করতে করতে মাদকাসক্ত হয়। এদেরকে অংকুরেই দাবাতে হবে। নইলে যুবসমাজ ধংস হয়ে যাবে। এদিকে পুলিশের এক উর্ধতন কর্মকর্তা মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানা ফাঁড়ি পুলিশকে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে দেখা যায় গত ২ মাসে প্রায় ২ হাজার মাদক সেবি ও ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। আইনের ফাক ফুকুরে বেড়িয়ে পরে আবারও আধি নেশায় ফিরে গেছে।

অপর দিকে দেখা যায়, পুলিশ অজ্ঞাত কারণে আবাসিক হোটেল গুলোতে অভিযান পরিচালনা না করায় এসকল জুটিরা হোটেলকেই নিরাপদ স্থান বেবে ব্যবহার করছে। ফলে প্রতিটি আবাসিক হোটেলেই ডজন ডজন জুটি প্রতিদিন রুম বাড়া নিয়ে থাকে। এই নষ্ট চরিত্রের লোকগুলো পুলিশি অভিযান এরাতে নামি দামী ও পুলিশের মাসোহাড়া বুক্ত চরপাড়ার আবাসিক হোটেল গুলো বেছে নেয়। অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, এ ধরনের আরেকটি হোটেল ও রিসোর্ট ফুলবাড়ীয়ার আলাদিন পার্ক রয়েছে। যা জনগন ইতি মধ্যে একবার ভেঙ্গে দিয়েছিল।

মন্তব্য করুন