মধ্যরাতে কোতোয়ালি পুলিশের মানবিক কাজে অন্তঃসত্বা নারী জীবন ফিরে পেলো

0
130
ময়মনসিংহের কোতোয়ালি পুলিশের আরো একটি মামবিক দায়িত্ববোধ সম্পন্ন কাজে সন্তান সম্ভবা নারী জীবন ফিরে পেলো। ঐ নারীর নাম সোমা। সে নগরীর জে সি গুহ রোডের জনৈক আব্দুল হাকিমের স্ত্রী।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে,সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পান, নগরীর জে সি গুহ রোডে জনৈক মোঃ আব্দুল হাকিম এর স্ত্রী সোমা (২৫) প্রসব বেদনায় বন্ধ তালা বন্ধ ঘরে কাতরাচ্ছে। দায়িত্বশীল মানবিক ওসি শাহ কামাল আকন্দ তাৎক্ষনিক এস আই শুভ্র সাহা, বিপি নং-
৭৭৯৬০৩৬২৯১ কোতোয়ালি মডেল থানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ মোবাইল-১ রাত্রকালীন ডিউটিকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ সময় পুলিশ স্থানীয় লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে বাসার সামনের দিকের তালা বন্ধ দোকান ঘর দিয়ে ঐ নারীর বাসায় ঢোকা সম্ভব নয়। ওসির দায়িত্বশীল নির্দেশনায় পুলিশ দল উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতায় বাড়ির পিছনের দিকের বাথরুমের দেয়াল ভেঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা সুমাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞান অবস্থায় নিয়ে যায়।
জরুরি বিভাগের ডাক্তার সোমাকে তৎক্ষণাৎ লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি কীে। পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মিসক্যারেজ জনিত কারণে হাসপাতালে ডিএমসি করানো হয়। সোমার মারাত্মক রক্তশূন্যতা সহ শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরবর্তীতে সোমাকে ওটি তে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সোমা সুস্থ আছেন। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ নলেন, জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে রাত দুইটার দিকে খবর পাই। যে কোন উপায়ে ঐ নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে নির্দেশ দেই। পুলিশ তাদের কাজ করেছে। এদিকে মধ্যরাতে দেয়াল ভেঙ্গে সন্তান সম্ভবা নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার ঘটনায় স্তানীশরা কোতোয়ালি পুলিশের মানবিকতার প্রসংশা করে। স্থানীয়রারা দাবি করছেন এর আগে কোম পুলিশ অফিসার এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসেনি। এ খবর নগরময় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে নিয়ে প্রসংশা করতে কোন ধরনের কৃপনতা করেনি ময়মনসিংহবাসি।

মন্তব্য করুন