পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিপূর্ণ চুক্তি না হওয়ায় ২০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণসমাবেশ

0
1324
নুসিং থোয়াই মার্মা, (বান্দরবান প্রতিনিধি) : আজ ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস। পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ও জনসংহতি সমিতি চুক্তি সই করেছিল। এতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু)।
আজ বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম ২০ তম বর্ষপূর্তী গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , কে এস মং, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি ।
সভাপতিত্ব করেন, উছোমং মার্মা, পার্বত্য জনসংহতি সমিতি বান্দরবান জেলা শাখা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চিংহ্লামং চাক, ভুমি বিষয়ক সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, , ক্যবামং মার্মা, চেয়ারম্যান রোওয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদ ও সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি বান্দরবান জেলা শাখা, ওয়াইচিংপ্রু মার্মা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বান্দরবান সদর সভাপতি পার্বত্য মহিলা সমিতি, বান্দরবান জেলা শাখা। আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নানা পদে কর্মী সহ বহুল স্থানীয় জনগণ।
এসময় প্রধান বক্তা বলেন, শান্তি চুক্তি করার মূল উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনা। সেই লক্ষ্যে সরকার এবং জেএসএসের মধ্যে দ্বিপার্শ্বিক বোঝাপড়া ভিত্তিতে চুক্তিটি করা হয়েছিল। আজ চুক্তির ২০ বছর পূর্ণ হলো কিন্তু এখনো চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নি হয়নি বলে  জানিয়েছেন জেএসএসের জনসংহতি সমিতির । চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আদিবাসী জনগোষ্ঠী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ বক্তারা আরো  বলেন, দুই দশকেও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় জুম্ম জনগণের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাদের আর পেছনে যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের যে কোন অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় কন্ঠে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জনসংহতি।

মন্তব্য করুন