জেলা ব্রান্ডিং ও কিশোর বাতায়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

0
1216

স্টাফ রিপোটার : ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বিভিন্ন্ ই-সেবা সম্পর্কে জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সহযোগীতায় জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক জেলা ব্রান্ডিং, কিশোর বাতায়ন প্রতিযোগীতা এবং হিউম্যান ডেভলমেন্ট মিডিয়ার অনুষ্ঠান উদ্ভাবকের খোঁজে বিষয়ক এক প্রেস গতকাল সোমবার বিকালে জেলা প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্টানে জেলা ব্রান্ডিং, কিশোর বাতায়ন প্রতিযোগীতা এবং হিউম্যান ডেভলমেন্ট মিডিয়ার অনুষ্ঠান উদ্ভাবকের খোঁজে বিষয়ের উপর বিস্তারিত ব্রিফিং করেন জেলা প্রঃশাসক মোঃ খলিলুর রহমান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ মহসীন উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) শেখ মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ মোখলেছুর রহমান, সহকারী তথ্য অফিসার জামাল উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুধিমহল উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১সালে উন্নত একটি সুখি ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণদ করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ লক্ষ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুচকে ব্যাপক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। সরকার ঘোষিত রূপকল্প বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রচেস্টা হলেই অর্থনৈতিক বিকাশ ঘটবে। তিনি আরো বলেন, সারা দেশের ন্যায় ময়মনসিংহকে একটি পণ্য বা স্থানকেন্দ্রিকভাবে পরিচয় করে তুলতে প্রশাসন কাজ করছে। এছাড়া ১২-১৯ বছরের কিশোরদের যোগাযোগ ক্ষেত্রে প্লাটফরম তৈরী করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে এ বয়সের কিশোররা কিশোর বাতায়নে প্রবেশ করে সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটানোসহ জেলা ও দেশ সম্পর্কে ভাল কিছু জানতে পারে। তাহলেই আগামী প্রজন্মের মাঝে দেশ প্রেম বৃদ্ধি পাবে। এর আগে একটি ভিডিও চিত্রে মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইতিহাস, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে বিস্তারিত প্রদর্শন করেন।

এ সময় তিনি ময়মনসিংহ জেলা ব্রান্ডিং হিসাবে শিল্প সংস্কৃতির নগরী ময়মনসিংহ হিসাবে প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। যার মলাটে প্রধানত রাখা হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিনের ছবি। জেলা প্রশাসক আরো বলেন দীর্ঘ এক বছরের বেশী সময় ধরে নানা গুনীজন, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকবিদদের নিয়ে কাজ করে এ প্রাথমিক ধারণায় পৌছা সম্ভব হয়েছে। এ নিয়ে আরো কাজ হবে। সংযোজন বিয়োজন এবং গ্রহণযোগ্য মতামত হলে তা গ্রহণ করে বিবেচনায় নেয়া হবে।

মন্তব্য করুন