গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি চাঞ্চল্যকর হরিপদ হত্যা মামলা রহস্য উৎঘাটন করেছে

0
2644

জাহিদুল ইসলাম জীবন : ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি গতকাল বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন যায়গা অভিযান পরিচালনা করে বিকাশ এজেন্ট হরিপদ(৪৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামী শাওন(১৮) ও নীরব(১৯)কে, কৃষ্টপুর পাটগুদাম এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।

জানাযায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাদের দেহ তল্লাশি করে শাওনের কাছ থেকে ১টি চাকু ও নীরবের কাছ থেকে লুন্ঠিত নগদ ৫,৫০০ উদ্ধার করেন। শাওন ও নীরব আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দি প্রকাশ করেন।
আরো জানাযায়, গত ২৯ অক্টোবর রাতে শহরের কৃষ্টপুর এলাকা থেকে হযরত আলী (১৮), ৩০ আক্টোবর রাতে ভালুকা বাসষ্ট্যান্ড থেকে সাইফুল(২৬), শহরের চরপাড়া এলাকা থেকে আসামী শরিফ(১৯) এবং কালু (২৩) কে গ্রেফতার করেন। আসামী হযরত আলী ও সাইফুল বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামী কালু এবং শরিফ কে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি এসআই পরিমল চন্দ্র পিপিএম।

অপরদিকে, বিকাশ এজেন্ট হরিপদ দাস (৪৫), গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ মোড়ে নিজের বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের দোকান বন্ধ করে হেঁটে বাড়ি যাচ্ছিলেন। শহরের দুলদুল ক্যাম্পের সামনে এলে তাঁর পথরোধ করে কয়েকজন ছিনতাইকারী। এ সময় একপর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। পরে তাঁর কাছে থাকা দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা পলিয়ে যায়। পরে হরিপদককে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন আবস্থায় মারা যান।

এ বিষয়ে তার বড় ভাই প্রদীপ কুমার দাস বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে চাঞ্চল্যকর মামলাটি জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম পিপিএম,বিপিএম এর মাধ্যমে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি আশিকুর রহমানের নির্দেশে মামলাটি এসআই পরিমল চন্দ্রদাস পিপিএম কে মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেয়। এসআই পরিমল চন্দ্র দাস পিপিএম নিরলস প্রচেষ্টায় ডিবির চৌকস দল নিয়ে তথ্যের বিত্তিতে হত্যা মামলার ঘটনার সাথে জড়িত ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করে মামলার মূল রহস্য উৎঘাটন করেন।

মন্তব্য করুন