গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি অভিযানে হালুয়াঘাটে কন্যা ধর্ষণকারী পিতা আটক

0
1456

 

স্টাফ রিপোটার : অবশেষে হালুয়াঘাটের আলোচিত চাঞ্চল্যকর মামলা নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষণকারী হেলাল ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। আজ সকালে গাজীপুর কোণাবাড়ি থেকে ধর্ষক হেলালকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে । বিজ্ঞ আদালতে তিনি ১৬৪ দারা জবান বন্দী প্রকাশ করেছেন বলে সুত্র থেকে জানাযায়।

সুত্রে জানা যায়, ধর্ষক হেলালের বিরুদ্ধে গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিজ শিশু কন্যা ধর্ষণের অভিযোগ এনে ১৫ সেপ্টেম্বর হালুয়াঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন তার স্ত্রী মোছাঃ রাজিয়া খাতুন। হালুয়াঘাট থানার মামলা নং ২৫। মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হেলাল। পুলিশ তাকে গ্রেফতারের জন্যে বিভিন্ন যায়গা অভিযান চালাচ্ছিলেন। অতঃপর প্রায় দুইমাস পর ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম পিপিএম বিপিএম এর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞ টিমের সহায়তায় ডিবির এস আই ইফতেয়ার আহমেদ,এসআই আনোয়ার,এএসআই আরিফ অভিযান চালিয়ে গাজীপুর কোনাবাড়ির দেওয়ালী বাড়ি এলাকা থেকে তাকে আটক করেন।

হেলাল স্বদেশী ইউনিয়নের উত্তর ইটাখলা বোয়ালজানা গ্রামের ছফুর উদ্দিনের পুত্র। সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে হেলালের প্রতিবেশি, তার স্ত্রী রাজিয়া ও স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিন ছেলে আশিক (৭), আকিকুল (৫) ও রবিউল (৪) এবং এক কন্যাসন্তান রয়েছে তার। হেলাল প্রায় ১৫ বছর পূর্বে হালুয়াঘাটের কৈচাপুর ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের সায়েদুল ইসলামের কন্যা মোছাঃ রাজিয়া খাতুনকে বিয়ে করেন। স্থানীয়রা জানান, হেলাল রাজিয়াকে রেখেও ইতিপুর্বে আরও দুটি বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু তারা চলে যায়। হেলালের পিতা ছফুর উদ্দিন তিনিও ছয়টি বিয়ে করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান। যাদের দুই বউ এখনো বর্তমান রয়েছে।

স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান মোনায়েম আলম খান খোকন তালুকদার বলেন, তার সময়ে এই ছফির উদ্দিনকে নিয়ে পুত্র বধূদের সাথে নানা অপ্রীতিকর বিষয় নিয়ে একাধিকবার দরবারও করেছেন। শেষ পর্যন্ত তার ছেলেও সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছেন বলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন খোকন তালুকদার।

ঘটনার সুত্রে জানা যায়, শিশুটির মাতা রাজিয়া খাতুনকে ঘটনার পুর্বের দিন তার পিতার বাড়িতে বোয়াল মাছ দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়েটি তার পিতার কাছেই ছিলো। এই সুযোগে তার লম্পট স্বামী মেয়েকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন। ধর্ষিতা শিশুটি কৃষ্টপুর সরকারি প্রাথমকি বদ্যিালয়রে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

 

মন্তব্য করুন