গফরগাঁওয়ে রাতের আধাঁরে মানুষকে জিম্মি করে চলছে ডাকাতি

0
951

মোমিন তালুকদার : সারাদেশে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি,  কিন্তু গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলার অবনতি! রাতের আধাঁরে  মানুষ জিম্মি করে হচ্ছে  ডাকাতি! ডাকাতদের হাতথেকে রেহাই পেতে চায় স্থানীয় জনগন, গাড়ীর ড্রাইবার ও পথচারীরা। রাতের আধাঁরে জীবনের রিস্ক নিয়ে জান মাল নিয়ে চলছে অসংখ্য মানুষের আনাগোনা, তবুও চলতে হয় প্রয়োজনে, সময়ে অসময়ে কে দিবে তাদের নিরাপত্তা? জানমালের হেফাজত।

গত ০৮ ডিসেম্বর ইং ১৭ রাত ১০ টা থেকে শুরু হয় মুরগীর গাড়ী, সিএনজি,  অটো,অটো রিক্সা,ভ্যান সহ অসংখ্য পথচারীদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মুরগীর গাড়ীর সকল মুরগী, যাত্রী ও পথচারীদের পকেটে থাকা মোবাইল নগদ টাকা সহ সব ছিনিয়ে নেয়, এবং ফজর নামাজের আগ মূহুর্ত পর্যন্ত আটকিয়ে রেখে গাড়ী সহ সবাইকে ছেড়ে দেয় ঐ ডাকাত দলেরা !

এসময় স্থানীয় মোঃ ইসলাম, বাচ্চু সহ স্থানীয় অনেককেই সর্বহারা করে এ ডাকাতরা। এ নিয়ে স্থানীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানায় কিছুদিন পরপর এখানে রাতের আধাঁরে এমন ঘটনা ঘটে থাকে,  ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও গফরগাঁও  থানা পুলিশের এসব বন্ধ করতে কারো কোনো ভূমিকা নেই।

এসময় স্থানীয়রা বলেন  ত্রিশাল উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের জিটকির পুল ও হার্বার বিলে এমন ঘটনা আগে প্রায় সময় ঘটতো,ত্রিশাল থানার ওসি জাকিউর রহমানের দিক নির্দেশনায় রাতে পথচারীদের নিরাপত্তা দিতে ত্রিশাল থানা পুলিশ পাহারা দেন । আমরা সন্তানদের চিন্তায় রাতে ভয়ে রাত কাটাই আমাদের অনেকের সন্তান গারমেন্চে চাকরী করে রাতে বাড়ী ফিরে, মাসে মাসে বেতন পায় বেতনের টাকা নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে আসতে হয়।

স্থানীয় এক সিএনজির মালিক নাম না প্রকাশ করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন আমার ভাই সিএনজি চালায় এ রাস্তা দিয়ে,  রাতে বাড়ী ফিরতে মানা করে দিয়েছি সন্ধার আগেই বাড়ী ফিরে আসতে বলেছি তবুও মাঝে মাঝে দুরে কোথাও রিজার্ব নিয়ে যেতে হয় তখন বাড়ী ফিরতে দেরি হয় তখন আমরা পুরো পরিবার ভয়ে থাকি। ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের রুবেল নামের একজন গার্মেন্টস কর্মী বলেন আমি ভালুকায় একটি গার্মেন্টসে  চাকরী করি গত মাসে বেতন পাই ১০,০০০ টাকা সাথে ছিলো একটি সেম্পনি নতুন মোবাইল আমি শিবগঞ্জ  আত্বীয় বাড়ীতে বেড়াতে যাই, পরে রাতে আমি একটি সিএনজি করে রসুলপুরের উদ্যেশে রওনা দেই লেঞ্জির পুলের এখানে আসা মাত্রই ৪-৫ জন লোক গাড়ী থামিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমার সবকিছু নিয়েযায়।

এরকম আরও অনেকেই আক্রমনের শিকার হয়েছেন এই নিরিবিলি ভয়ংকর যায়গায়, আশেপাশে ঘটনার যায়গা থেকে উত্তরে ১ কিলো দক্ষিনে ১ কিলো মাঝখানে রাস্তার পাশে নেই কোনো বাড়ীঘর। তবে রহস্যময় ব্যপার হলো স্থানীয়রা ভয়ে মুখ খুলতে রাজী নয় কারো কাছে, এবং থানাতেও অভিযোগ করতে কেউ রাজী নয় ভয়ে। এই ডাকাত দলেরা অনেক শক্তিসালী, অনেকেই  নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেছেন এই ডাকাত দলের বাড়ী আশেপাশের এলাকাতেই।

ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, গফরগাঁও থানার ওসি আব্দুল আহাত খান , ও রসুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় ভোক্তভোগী জনগন ও পথচারীরা। স্থানীয়দের দাবী এখানে রাতে টহল পুলিশ, ও পাহারাদার বসিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হউক।

মন্তব্য করুন